Friday, October 21, 2016
Wednesday, June 22, 2016
এক জোড়া কবুতরের গল্প
কবুতর পোষার নেশা ছিল একসময়। ছাদের চিলেকোঠার উপরে ছিল কবুতরের বাসা। অনেক কবুতরের মাঝে ধবধবে একজোড়া সাদা কবুতর ছিল সেখানে। যখন ই খেয়াল হত দেখতাম একসাথে বসে আছে বা খাচ্ছে তারা। পুরুষ কবুতরটি ছিল অন্যান্য কবুতর থেকে একদম আলাদা। সবসময় গলা উঁচু করে রাজার মত হেটে বেড়াতো। মেয়ে কবুতরটির পাশে অন্য কোন কবুতর ঘেঁষার চেষ্টা করলেই তাকে তাড়িয়ে দিত। মেয়ে কবুতরটিকে একদম আগলে রাখতো। আমার সবথেকে পছন্দের কবুতর ছিল এ দুটি। প্রায় প্রতিদিন ই ছাদে উঠে ওদের কার্যকলাপ দেখতাম।
হঠাত একদিন ভোর হওয়ার আগ দিয়ে কবুতরের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ঘুম ভেঙে গেল। দ্রুত ছাদে চলে গেলাম। মনের ভেতর যে ভয়টা পাচ্ছিলাম সেটাই হল। কবুতরের ঘরের সামনে কবুতরের রক্তমাখা পালক পড়ে আছে।বনবিড়ালে হামলা চালিয়েছে। রাতে কবুতরের ঘরের দরজা আটকানোর কথা ছিল কিন্তু আম্মু ভুলে যাওয়ার কারণে এই দশা। সেই কবুতর জোড়ার খোপের সামনে দেখি মেয়ে কবুতরটি মৃত অবস্থায় পড়ে আছে এবং ছেলে কবুতরটি আহত। দেখে বুঝতে পারলাম ছেলে কবুতরটি তার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে তার সঙ্গীণীকে বাচানোর জন্য। বিধিবাম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও পারেনি তাকে বাঁচাতে। কয়েকদিন এর প্রাথমিক চিকিতসায় ছেলে কবুতরটি সুস্থ হয়ে উঠলো পুরোপুরি। কিন্তু একটা জিনিষ লক্ষ করলাম কবুতরটি কেমন যেন হয়ে গেছে, ঠিকমত খায় না,সব কবুতর থেকে দূরে একা বসে থাকে। হাটার মদ্ধ্যে সেই তেজী ভাব টা আ
র নাই। কেমন জেন অস্বাভাবিক। বাসার অনেকেই লক্ষ্য করলো ব্যপারটা। আম্মা আমাকে কিছু টাকা দিয়ে বাজার থেকে একটা নতুন মেয়ে কবুতর কিনে আনতে বললেন আমি তাই করলাম। এরপর মা নতুন কবুতর আর সেই কবুতরটিকে একটা খোপের মধ্যে ঢুকিয়ে আটকাই দিলেন। এরপর কাজের ব্যস্ততায় আর দেখা হয়নি কবুতরের কি অবস্থা। কয়েকদিন পর বিকালের দিকে ছাদে উঠছি হটাত কবুতর জোড়ার কথা খেয়াল হল। চিলেকোঠার দিকে তাকিয়ে দেখি সেই ছেলে কবুতরটি আগের মত গলা উঁচু করে হেটে বেড়াচ্ছে তার নতুন সঙ্গীনীর পাশে এবং অন্যান্য কবুতর কে তার আশে পাশেও ভিড়তে দিচ্ছে না। হেসে ফেললাম আমি দেখে।
মানুষও এরকম। আজ আপনি হঠাত মারা যাবেন, কিছুদিন সবাই কাদবে, কষ্ট পাবে, একটা সময় আপনাকে ভুলে যাবে। কারণ যে মানুষটার অস্তিত্ব নেই তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই। তাদের কে বাস্তব কিছু নিয়ে ভাবতে হবে।
আপনি আজ মারা যান আপনার সঙ্গীর জীবণ থেমে থাকবে না। কিছুদিন কষ্ট পাবে তারপর আবার নতুন করে জীবণ গোছাতে শুরু করবে অন্য কারো সাথে।
এর জন্য মানুষের কোন দোষ নাই। এটা প্রকৃতির নিয়ম। কোথাও একসময় পড়েছিলাম প্রকৃতি শুণ্য স্থান পছন্দ করে না। কোন না কোন ভাবে সে শূন্য স্থান কে পূরণ করে দেয়। প্রকৃতির রহস্য বোঝা বড়ই মুশকিল।
হঠাত একদিন ভোর হওয়ার আগ দিয়ে কবুতরের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ঘুম ভেঙে গেল। দ্রুত ছাদে চলে গেলাম। মনের ভেতর যে ভয়টা পাচ্ছিলাম সেটাই হল। কবুতরের ঘরের সামনে কবুতরের রক্তমাখা পালক পড়ে আছে।বনবিড়ালে হামলা চালিয়েছে। রাতে কবুতরের ঘরের দরজা আটকানোর কথা ছিল কিন্তু আম্মু ভুলে যাওয়ার কারণে এই দশা। সেই কবুতর জোড়ার খোপের সামনে দেখি মেয়ে কবুতরটি মৃত অবস্থায় পড়ে আছে এবং ছেলে কবুতরটি আহত। দেখে বুঝতে পারলাম ছেলে কবুতরটি তার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে তার সঙ্গীণীকে বাচানোর জন্য। বিধিবাম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও পারেনি তাকে বাঁচাতে। কয়েকদিন এর প্রাথমিক চিকিতসায় ছেলে কবুতরটি সুস্থ হয়ে উঠলো পুরোপুরি। কিন্তু একটা জিনিষ লক্ষ করলাম কবুতরটি কেমন যেন হয়ে গেছে, ঠিকমত খায় না,সব কবুতর থেকে দূরে একা বসে থাকে। হাটার মদ্ধ্যে সেই তেজী ভাব টা আ
মানুষও এরকম। আজ আপনি হঠাত মারা যাবেন, কিছুদিন সবাই কাদবে, কষ্ট পাবে, একটা সময় আপনাকে ভুলে যাবে। কারণ যে মানুষটার অস্তিত্ব নেই তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই। তাদের কে বাস্তব কিছু নিয়ে ভাবতে হবে।
আপনি আজ মারা যান আপনার সঙ্গীর জীবণ থেমে থাকবে না। কিছুদিন কষ্ট পাবে তারপর আবার নতুন করে জীবণ গোছাতে শুরু করবে অন্য কারো সাথে।
এর জন্য মানুষের কোন দোষ নাই। এটা প্রকৃতির নিয়ম। কোথাও একসময় পড়েছিলাম প্রকৃতি শুণ্য স্থান পছন্দ করে না। কোন না কোন ভাবে সে শূন্য স্থান কে পূরণ করে দেয়। প্রকৃতির রহস্য বোঝা বড়ই মুশকিল।
Wednesday, June 8, 2016
Tuesday, December 29, 2015
জীবণ মানে শূণ্য থেকে শুরু
আমি সেই ছেলেটিকে চিনতাম যে ভালবাসায় ব্যার্থ হয়ে কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেচে যায়,একদিন সেই ছেলেটা খুব অনায়সেই অন্য একটা মেয়েকে বলে দিয়েছিল আমি তোমাকে ভালবাসি। সেই ছেলেটা অনেক দিন পর নতুন করে বাচতে শুরু করেছিল সেই মেয়েটির সাথে
আমি সেই মেয়েকে দেখেছিলাম যে সব সময় বলতো তুমি আমার না হলে আমি আর বাচবো না।ছেলেটি ছেড়ে যাওয়ার পর মেয়েটি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিল তারপর অনেকদিন পর সেই মেয়েটাকে দেখেছিলাম মুখে হাসি কোলে বাচ্চা নিয়ে অন্য এক পুরুষের হাতে হাত রেখে ঘুরে বেড়াতে
এক সময় নেশায় বুদ হয়ে পড়ে থাকা একটি ছেলেকে দেখেছিলাম একদিন মুখে দাড়ি, টুপি পরে অন্য সবাইকে সঠিক পথে ফিরে আসার দাওয়াত দিতে।
আমি সেই ছেলেকে চিনতাম যাকে সবসময় বলা হত ছেলেটি গোল্লায় যাচ্ছে,মাথায় উষ্কখুষ্ক চুল মুখভর্তি দাড়ি,কাধে গিটার নিয়ে হেটে যাওয়া সেই ছেলেটিকে দেখেছিলাম একদিন স্যুট টাই পরে গিটার ফেলে হাতে ফাইল নিয়ে অফিসে যেতে
জীবণটা খুব বিচিত্র রকমের। অদ্ভুতভাবে বদলে যায় সব কিংবা জীবণের তাগিদে বদলে নিতে হয় সব কিছু, জীবণে সুখী থাকাটার অনেক প্রয়োজন যেকোন ভাবেই হোক না কেন
আপনিও কি নিজেকে খুব অসহায় ভাবছেন তাদের মত? হতাশায় জর্জরিত হয়ে নিজেকে শেষ করার কথা ভাবছেন? আপনার কাছের মানুষটি আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে?কি ভাবছেন সব কিছু শেষ হয়ে গেছে?? হঠাত করেই সিদ্ধান্ত নিবেন না। নিজেকে শেষ করা মানেই মুক্তি নই।
নিজের জন্য একটু সময় নিন, আকাশপানে তাকিয়ে বড় করে শ্বাস নিন তারপর তারপর মনের যত কষ্ট দুঃখ সবকিছু বিশাল আকাশের মাঝে উড়িয়ে দিন, বুকে হাত রেখে বলুন আপনি পারবেন আবার সব কিছু প্রথম থেকে শুরু করতে,আপনাকে পারতে হবে, আপনাকে সুখী হতেই হবে,দরকার হলে শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে,জীবণে একটা জিনিষের খুব প্রয়োজন আর তা হল সুখী হওয়া।
হাসতে শিখুন হাসাতে শিখুন, ভাল থাকতে শিখুন ভাল রাখতে শিখুন,নিজের জন্য ভাবুন অপরের জন্য ভাবুন,
#নিজেকে_শেষ_করা_কোন_জীবণ_না_জীবণ_হলো_সেটাই_যেটা_আবার_শূন্য_থেকে_শুরু_করতে_শেখায়
আমি সেই মেয়েকে দেখেছিলাম যে সব সময় বলতো তুমি আমার না হলে আমি আর বাচবো না।ছেলেটি ছেড়ে যাওয়ার পর মেয়েটি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিল তারপর অনেকদিন পর সেই মেয়েটাকে দেখেছিলাম মুখে হাসি কোলে বাচ্চা নিয়ে অন্য এক পুরুষের হাতে হাত রেখে ঘুরে বেড়াতে
এক সময় নেশায় বুদ হয়ে পড়ে থাকা একটি ছেলেকে দেখেছিলাম একদিন মুখে দাড়ি, টুপি পরে অন্য সবাইকে সঠিক পথে ফিরে আসার দাওয়াত দিতে।
আমি সেই ছেলেকে চিনতাম যাকে সবসময় বলা হত ছেলেটি গোল্লায় যাচ্ছে,মাথায় উষ্কখুষ্ক চুল মুখভর্তি দাড়ি,কাধে গিটার নিয়ে হেটে যাওয়া সেই ছেলেটিকে দেখেছিলাম একদিন স্যুট টাই পরে গিটার ফেলে হাতে ফাইল নিয়ে অফিসে যেতে
জীবণটা খুব বিচিত্র রকমের। অদ্ভুতভাবে বদলে যায় সব কিংবা জীবণের তাগিদে বদলে নিতে হয় সব কিছু, জীবণে সুখী থাকাটার অনেক প্রয়োজন যেকোন ভাবেই হোক না কেন
আপনিও কি নিজেকে খুব অসহায় ভাবছেন তাদের মত? হতাশায় জর্জরিত হয়ে নিজেকে শেষ করার কথা ভাবছেন? আপনার কাছের মানুষটি আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে?কি ভাবছেন সব কিছু শেষ হয়ে গেছে?? হঠাত করেই সিদ্ধান্ত নিবেন না। নিজেকে শেষ করা মানেই মুক্তি নই।
নিজের জন্য একটু সময় নিন, আকাশপানে তাকিয়ে বড় করে শ্বাস নিন তারপর তারপর মনের যত কষ্ট দুঃখ সবকিছু বিশাল আকাশের মাঝে উড়িয়ে দিন, বুকে হাত রেখে বলুন আপনি পারবেন আবার সব কিছু প্রথম থেকে শুরু করতে,আপনাকে পারতে হবে, আপনাকে সুখী হতেই হবে,দরকার হলে শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে,জীবণে একটা জিনিষের খুব প্রয়োজন আর তা হল সুখী হওয়া।
হাসতে শিখুন হাসাতে শিখুন, ভাল থাকতে শিখুন ভাল রাখতে শিখুন,নিজের জন্য ভাবুন অপরের জন্য ভাবুন,
#নিজেকে_শেষ_করা_কোন_জীবণ_না_জীবণ_হলো_সেটাই_যেটা_আবার_শূন্য_থেকে_শুরু_করতে_শেখায়
Sunday, December 6, 2015
এই শহরে
এই শহরে সপ্নের বেচাকেনা হয়
গ্রামের দুরন্ত চঞ্চলা মেয়েটির সপ্ন
এই শহরে এসে বেশ্যা হয়ে যাই
এই শহরে সপ্নের বেচাকেনা হয়
মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ছেলেটি ধনী হতে এসে
হতাশায় ঘিরে নেশার মাঝে বুদ হয়ে পড়ে রই
এই শহরে সপ্নের বেচাকেনা হয়
বড়লোক বাবার বখে যাওয়া ছেলেটি
হাজারো রঙিন বোতলের মাঝে সপ্ন দেখে
এই শহরে সপ্নের বেচাকেনা হয়
উচ্ছৃঙ্খল সেই বালক বালিকা গুলো
টাকা দিয়ে অনেক সপ্ন কিনে আনে
এই শহরে সপ্নখুনির বিচার নাই শুধু সপ্ন খুন হয়
চিৎকার করে খুনিরা বলে আমরা রই এই শহরে
যেই শহরে প্রতিদিন সপ্নের বেচাকেনা হয়
Saturday, November 28, 2015
ধোয়া
ধোয়া, ধোয়াই জীবণ
ধোয়া, ধোয়াই সপ্ন
ধোয়ার মাঝেই হারিয়ে গেছে আলো
জীবিত নাকি মৃত
সুখী নাকি দুখী
কিছু বুঝিনা সবই ধোয়া
ধোয়া, ধোয়াই জীবণ
ধোয়া, ধোয়াই সপ্ন
ধোয়ার মাঝে হারিয়ে গেছে আলো
রাত কি দিন কি
সুখ কি চিনি না
জীবণ ই এখন ধোয়া
ধোয়া, ধোয়াই জীবণ
ধোয়া, ধোয়াই সপ্ন
ধোয়ার মাঝে হারিয়ে গেছে আলো
পাইনা কোন কিনারা
দেখিনা বেচে থাকার মানে
সবই ধোয়া শুধুই ধোয়া
ধোয়া, ধোয়াই জীবণ
ধোয়া, ধোয়াই সপ্ন
ধোয়ার মাঝে হারিয়ে গেছে আলো
যেদিন সপ্ন হয়েছে ধোয়া
সেদিন গুম হয়ে গেছে হাসি
এখন সবই ধোয়া
ধোয়া, ধোয়াই জীবণ
ধোয়া, ধোয়াই সপ্ন
ধোয়ার মাঝেই হারিয়ে গেছে আলো
মৃত মানুষের ভালবাসার কথা
তোমাকে দেখছি।অনেক সুন্দর লাগছে তোমায়।ইচ্ছা হল কথা বলি কিন্তু পারলাম না।আজ তোমার সাথে অন্য কেউ।জানি হয়তো ভুলে গেছ। আর ভুলে যাওয়াটাই তো স্বাভাবিক। আমার মত মানুষ কে আর কতদিন ই মনে রাখবে। যার কোন অস্তিত্ব নেই আজ আর।একুটা মৃত মানুষ কে আর কতদিন ই বা মানুষ মনে রাখে।প্রয়োজনের তাগিদে সবাই ভুলে যায় একসময়।জানো আমি এখন সবসময় তোমার সাথেই থাকি কেউ দেখতে পাই না।তুমি যখন ঘুমিয়ে পড় তোমার কপালে ছোট্ট করে চুমু দেই তুমি কি বুঝতে পারো?আগে তো পারতাম না সবসময় তোমার পাশে থাকতে কিন্তু আমি এখন পারি। কোন বাধা নেই আমার। কেউ আমায় দেখতে পাই না। তুমি ঘুমিয়ে পড় আর আমি সারারাত তোমায় দেখি।আমার তো এখন আর ঘুমের দরকার হয় না।জান আমি না অনেক সুখে আছি অনেক সুখে। তুমি যেখানেই থাক আমিও সেখানেই থাকি।বল এর চাইতে সুখ কি আছে আর?
(কাল্পনিক)
(কাল্পনিক)
Tuesday, November 17, 2015
ইচ্ছে
ইচ্ছে করে তোমার কাছে
বারে বারে আসি
ইচ্ছে করে প্রাণটা ভরে
তোমায় ভালবাসি
ইচ্ছে করে তোমার বুকে
লুকিয়ে আমি থাকি
ইচ্ছে করে মনের পটে
তোমার ছবি আকিঁ
ইচ্ছে করে তোমায় আমি
নয়ন ভরে দেখি
ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে
কাব্য-কথা লিখি।
Sunday, November 15, 2015
জুজু বুড়ির ভয় পাই না
একটা সময় ছিল যখন মায়ের কোলে শুয়ে ঘুমাতাম আর ঘুমানোর আগে একটা বায়না থাকতো আম্মু একটা গল্প শোনাও না,আম্মু শোনাতো গল্প, ভুত প্রেতের কোন গল্প নই, গল্প শোনাতো কোন মহা মনিষীর জীবণী, কোন শিক্ষণীয় গল্প, কোন ওলী আল্লাহের জীবণী। একটা গল্প হয়তো একদিনে শোনা হত না তার আগেই ঘুমিয়ে যেতাম মায়ের কোলে,আবার পরের দিন ঘুমানোর আগে আবার সেই বায়না ধরা আবার সেই গল্প বলা মায়ের, কোন গল্পই অসমাপ্ত থাকতো না,কেন শোনাতেন সেই সব গল্প আম্মু?? তিনি কি চাইতেন তার সন্তানের জীবণেও মণীষীদের জীবণধারার প্রতিফলন ঘটুক? কিন্তু কেন?? তিনিও তো পারতেন আর সবার মত জুজু বুড়ির ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিতে,তিনিও তো ভুতের গল্প শোনাতে পারতেন, আর সেটাই করাই হয়তো তার উচিত ছিল তাহলে আমি আজ আর সবার মত থাকতে পারতাম,সবার মত জুজু বুড়ির ভয়ে ঘুমিয়ে যেতাম,জুজু বুড়ি যা বলতো তাই বলতাম তার সুরে সুর মিলিয়ে, আমার লাখ লাখ মুসলিম ভাইয়ের উপর যখন হামলা হই তখন জুজু বুড়ির সুরে সুর মিলিয়ে বলতে পারতাম ওরে সব মুসলিম ই জংগী,যখন ফিলিস্তিনে হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষের উপর হামলা করা হয় তখন তাদের সুরে সুর মিলিয়ে বলতে পারতাম তারা উগ্রবাদী, তাদের মত ছোট্ট শিশুদের কে বলতে পারতাম ওরা তো এক একটা জাত সাপ ওদের বাচতে দেওয়া যাবে না। যখন সমুদ্রতীরে ছোট্ট একটা ছোট বাচ্চার মৃত দেহ পড়ে থাকে তখন চুপ করে দেখতাম জুজু বুড়ির ভয়ে।
কিন্তু আমি পারছি না চুপ থাকতে কিংবা যারা বলছেন আমি নিরপেক্ষ তাদের সাথেও থাকতে পারছি না,আপনি নিরপেক্ষ নন আপনি কাপুরুষ। আপনি সত্য বলতে ভয় পান, আপনিও হুজুগে মাতাল,আপনিও জুজু বুড়ির ভয় পান। আমি পারছি না আপনাদের দলে সামিল হতে যাদের মতে
* মানুষ সে তো থাকে ইউরোপের দেশগুলোতে
বাদবাকি সব গরু ছাগল ভেড়া মহিষ
বিশ্ব মানবতা সে তো ইউরোপের দেশ গুলোর জন্য
আর কোথাও তো মানুষ ই নাই তাই বিশ্ব মানবতাও নাই*
আমার আম্মু আমাকে জুজু বুড়ির ভয় পাড়িয়ে ঘুম পাড়ান নাই, তাই আমি আপনাদের মত ঘুমিয়ে থাকি না,তিনি আমাকে শুনিয়েছেন সেই সব সংগ্রামী মানুষের কথা যারা জুগে জুগে জুজু বুড়িকে কতল করেছেন, তাই আমি জেগে রই, আমি চোখ মেলে রই,জুজু বুড়ির দিন শেষ হবে,বিশ্ব মানবতা মুক্তি পাবে।
বিশ্ব মানবতা, বিশ্ব শান্তির পতাকা একদিন উড়বেই সারা বিশ্বের আকাশে বাতাসে। (In sha Allah)
কিন্তু আমি পারছি না চুপ থাকতে কিংবা যারা বলছেন আমি নিরপেক্ষ তাদের সাথেও থাকতে পারছি না,আপনি নিরপেক্ষ নন আপনি কাপুরুষ। আপনি সত্য বলতে ভয় পান, আপনিও হুজুগে মাতাল,আপনিও জুজু বুড়ির ভয় পান। আমি পারছি না আপনাদের দলে সামিল হতে যাদের মতে
* মানুষ সে তো থাকে ইউরোপের দেশগুলোতে
বাদবাকি সব গরু ছাগল ভেড়া মহিষ
বিশ্ব মানবতা সে তো ইউরোপের দেশ গুলোর জন্য
আর কোথাও তো মানুষ ই নাই তাই বিশ্ব মানবতাও নাই*
আমার আম্মু আমাকে জুজু বুড়ির ভয় পাড়িয়ে ঘুম পাড়ান নাই, তাই আমি আপনাদের মত ঘুমিয়ে থাকি না,তিনি আমাকে শুনিয়েছেন সেই সব সংগ্রামী মানুষের কথা যারা জুগে জুগে জুজু বুড়িকে কতল করেছেন, তাই আমি জেগে রই, আমি চোখ মেলে রই,জুজু বুড়ির দিন শেষ হবে,বিশ্ব মানবতা মুক্তি পাবে।
বিশ্ব মানবতা, বিশ্ব শান্তির পতাকা একদিন উড়বেই সারা বিশ্বের আকাশে বাতাসে। (In sha Allah)
Thursday, November 12, 2015
অপরিচিতা
কোথায় যেন দেখেছি তাকে
দুরের কোন পথের কি বাঁকে
সে তো দুরের নয়, নয়তো অপরিচিতা
যেতে হবে কাছে দূরে সরিয়ে মরিচীকা
Wednesday, November 11, 2015
ক্ষুধার্ত শিশু
ক্ষুধার্ত শিশু খেলনা চাইনা
চেনে না সে নিষ্ঠুর সমাজকে
কচি পেটে খুধার যন্ত্রণায়
ডুকরে ডুকরে সে কাদে
ক্ষুধার্ত শিশু বেশি কিছু নই
দুমুঠো শুধু খাবার চাই
হোক না তা কারো উচ্ছিষ্টাংশ
বা ডাস্টবিনের, শুধু কচি পেটে শান্তি চাই
Subscribe to:
Posts (Atom)
-
কবুতর পোষার নেশা ছিল একসময়। ছাদের চিলেকোঠার উপরে ছিল কবুতরের বাসা। অনেক কবুতরের মাঝে ধবধবে একজোড়া সাদা কবুতর ছিল সেখানে। যখন ই খেয়াল হত দেখ...
-
সমাজ হল এমন একটা জায়গা যেখানে একদল স্বার্থপর লোক নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য একত্রে বসবাস করে। সমাজ যেদিন দেখবে আপনার কাছ থেকে কোন প্র...
